সৈয়দপুর মহিলা ডিগ্রি মহাবিদ্যালয়, প্রায় তিন যুগের এক সফল পদচারণা। বিন্দু থেকে বৃত্ত গড়ার অভিপ্রায় নিয়ে নারী শিক্ষার এ বিশেষ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮১ সনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল গোটা দশেক ছাত্রী নিয়ে এক জীর্ণ শীর্ণ অর্ধভগ্ন পতিত বাগীচা বিল্ডিং-এ যদিও এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছিল তুলশীরাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে। উত্তর জনপদের ব্যবসা ও রেলওয়ে ভিত্তিক জন অধ্যুষিত শহর সৈয়দপুরের বেশ কিছু সংখ্যক বিদ্যানুরাগী মহৎ ব্যক্তিত্বের, তাঁদের মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য প্রায়ত মজিবুর রহমান, ডাঃ হানিফ উদ্দীন, আব্দুল বাসির মিঞা, বিশিষ্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক পৌর চেয়ারম্যান জিকরুল হক, সাবেক পৌর চেয়ারম্যান ইজহার আহমেদ, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান প্রয়াত আব্দুল হামিদ মাষ্টার, সরকারী কারিগরী কলেজে তৎকালীন অধ্যক্ষ জনাব সাইদুর রহমান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাহাব আলম ও স্বীকৃতির ক্ষেত্রে প্রাক্তন মন্ত্রী কাজী কাদের, তৎকালীন শিক্ষা সচিব কাজী জালাল উদ্দিন ও তৎকালীন থানা নির্বাহী কর্মকর্তা এলেম হোসেন, যারা চিরঋণী করে রেখেছেন এ প্রজন্মকে। অসম্ভব আর চরম অনিশ্চিয়তাকে কাঁধে নিয়ে প্রতিষ্ঠাকালীণ অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকার কতিপয় বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষকদের সাহচার্যে এক কন্টকাকীর্ণ পথ পেরিয়ে শুরু হয় মহিলা কলেজের এক স্বপ্নময় যাত্রা। স্বপ্ন হয়েছে সার্থক, হাজার পদধ্বনিতে মুখরিত আজ সুশোভিত শিক্ষাঙ্গন যার পুরোধা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক আব্দুল হাফিজ। তাঁর অসম্পন্ন কাজের একাংশের কিছু অংশ সম্পন্ন করেন সাবেক এমপি মোঃ আমজাদ হোসেন সরকার। তার সময়ে সম্পন্ন হয়েছে খালেদা জিয়া ছাত্রী নিবাসের অবশিষ্ট কাজ ও তার প্রচেষ্টায় ২০০৫-০৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে এ প্রতিষ্ঠানটি ডিগ্রিতে উন্নীত হয়। প্রাক্তন সংসদ সদস্য কর্ণেল (অব.) এ এ মারুফ সাকলান মহোদয়ের সভাপতিত্বে মহাবিদ্যালয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনা প্রশংসার দাবিদার। তিনি ৪র্থ তলা একাডেমিক ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। ইতিমধ্যে ৩য় তলার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ছাত্রীদের উপচে পড়া ভীড় আর ঈর্ষনীয় ফলাফলে যেন এক সাফল্যের কিংসুক; যেখানে আজ শত সম্ভাবনার অবগুন্ঠিত শতদল প্রস্ফুটন।


অধ্যক্ষ ( ভারপ্রাপ্ত)
সৈয়দপুর মহিলা মহাবিদ্যালয়
মোবাইল : ০১৩০৯১২৫২৪৪